একটি মহা অরাজক বিশৃংখল ডাকাতি লুটপাট এবং সকল অপরাধের স্বর্গরাজ্যর অপর নাম বাংলাদেশ

WSN24 STAFF
  • Update Time : Saturday, September 24, 2022
  • 472 Time View

পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অপরাধের স্বর্গরাজ্যর অপর নাম বাংলাদেশ কিন্তু আপনি এক ধোকা প্রতারণা এবং ভন্ডদের যাদুগ্রস্থ অবস্থায় আছেন যাদের মিথ্যায় আপনি বুঝতে পারছেন না আসলেই কোথায় আছেন কি করছেন কি হচ্ছে!

 

আপনি জানেন বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে কে এবং কারা ? ভারত এবং তাদের এদেশীয় এজেন্ট  দালালরা জানত পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ কখনো স্বাধীন হতে পারবে না বরং এ দেশটাকে একটা গৃহযুদ্ধ এবং ধ্বংসের মধ্যে রেখেই ভারতের স্বার্থ হাসিল করা তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

 

যুদ্ধের আগের রাজনীতিবিদরা এবং তাদের শক্তি ভারত কখনোই জানতে পারেনি এবং পাকিস্তানের এই আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীর সাথে এই দেশের অশিক্ষিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যাদের পেশা কামার কুমার জেলে-তাঁতী কৃষকরা কিভাবে পাকিস্তান থেকে স্বাধীন করবে ? পাকিস্তান সরকার কখন বুঝতে পারেনি যে বাংলাদেশের মানুষরা তাদের হাত থেকে স্বাধীনতা নিয়ে নিতে পারবে যুদ্ধ করে। ভারত তো ভালো করেই জানত যে বাঙালিরা কখনোই পাকিস্তানের হাত থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে না বরং বাংলাদেশ হবে একটি কুরু ক্ষেত্র পাকিস্তানের জন্য এবং ভারত পাকিস্তানকে দাবিয়ে রাখার জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করবে এতে করে সমগ্র ভারত বর্ষ ভারতের অধিনে  থাকবে এতে করে পাকিস্তান কখনোই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবেনা ভারতের বিরুদ্ধে কারণ তারা যদি বাংলাদেশের যুদ্ধে লিপ্ত থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদী এই যুদ্ধে লিপ্ত করে রাখা যায় তাহলে সেটা ভারত সরকারের জন্য একটা মহা উৎসবের বিষয় এরকম পরিকল্পনাই ছিল ভারত সরকারের।

 

কিন্তু সেইসব পরিকল্পনার মধ্যে হঠাৎ করে একটি সমস্যা হয়ে গেল সেই সমস্যাটা সৃষ্টি করলো প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জেনারেল ওসমানী এবং যে কয়টি ফোর্স। এই ফোর্স জেনারেল এর নেতৃত্বে এবং সেই দলে সকল কৃষক-শ্রমিক-জনতার সতস্ফুর্ত  অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। যারা বাংলাদেশকে সেদিন স্বাধীন করেছে তারা কেউ ভারতের কাছ থেকে অস্ত্র পায়নি টাকা পয়সা পাইনি ফোর্স কয়টির যে অস্ত্র ছিল এবং পাকিস্তানীদের কে পরাজিত করে যে টাকা পয়সা অস্ত্র পেয়েছে তা দিয়েই তারা যুদ্ধ চালিয়ে গেছে ।

 

পাকিস্তানিদের থেকে জব্দ  করা অস্ত্র-গোলাবারুদ দিয়েই পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়েছে। কারণ পাকিস্তানিদের তৎকালীন অস্ত্রগুলো ছিল সব সর্বাধুনিক আর ভারতের অস্ত্র খুবই পুরাতন। ভারতের অস্ত্র দিয়েছিল মুজিব বাহিনীর দেরকে এবং কিছু লোককে যারা মুক্তিযুদ্ধে ট্রেনিং নিতে গিয়েছিল তাদেরকে। ভারত সরকার যাদেরকে ট্রেনিং দিয়েছে এবং অস্ত্র দিয়েছে যুদ্ধে তাদের ভূমিকা কতটুকু তা এখন গবেষণা করতে হবে।

 

মূল কথা হচ্ছে জেনারেল ওসমানীর নেতৃত্বে যে কয়টি জেড ফোর্স থেকে শুরু করে ফোর্স তৈরি করা হয়েছিল তাদের অধীনে যারা ট্রেনিং  নিয়েছে এবং যুদ্ধ করেছে তারাই মূলত দেশকে স্বাধীন করেছে।সাথে ছিল এদেশের দামাল ছেলেরা কৃষক-শ্রমিক-জনতা জেলে-তাঁতী কামার-কুমার। ভারতে ট্রেনিংয়ে যায়নি এবং তারা এদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করেছে।

 

জেনারেল ওসমানীর নেতৃত্তের বাহিনী এবং সকল এদেশের জনগণ বাংলাদেশকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যারা রাজনীতি করতো তাদের সংখ্যা ছিল খুব কম এবং তারা বাংলাদেশের যুদ্ধ করেনি এবং তাদের সংগঠনের কর্মীরা যারা মুজিব বাহিনী হিসেবে কতজন ট্রেনিং নিয়েছিল এবং বাংলাদেশের যুদ্ধ করেছিল তার সংখ্যা কতজন আজ সকলকে তা জানতে হবে।

 

দেশ স্বাধীনের পরে এই মুজিব বাহিনীই বাংলাদেশকে অরাজকতার রাষ্ট্রে পরিণত করে এদেরকে তৈরি করেছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’ এবং দেশ স্বাধীনের পরে ১৯৭৫ পর্যন্ত তাদেরকে দিয়ে বাংলাদেশে এমন কোন নিকৃষ্ট কাজ নাই যা তারা করে নাই এবং করায় নাই। এই কারণেই তাদের নেতাকে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট।

 

আপনি যদি সেই সময়ের দৈনিক পত্রিকা গুলো দেখেন ১৯৭২ সাল থেকে ৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত তারা কি কি করেছে এই মুজিব বাহিনী এবং তাদের লোকেরা দুর্নীতি ধর্ষণ লুটপাট হত্যা গুম খুন অপহরণ ব্যাংক ডাকাতি ও চুরি সহ সকল অপকর্ম করে বাংলাদেশকে একটি বিবিশিখাময় রাষ্ট্রে পরিণত করে এবং দুর্ভিক্ষ বানিয়ে দেয়। রক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা কে হত্যা করা হয় এবং তারা সেনাবাহিনীর ক্ষমতাকে খর্ব করে দেয়।

 

মুজিব বাহিনী কখনোই কিছু ছিল না অথচ ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র এই বাহিনী বানিয়ে বাংলাদেশকে শেষ করে দিয়ে একেবারে বিনাশ করে দিয়ে তারা  উল্লাসে মেতে ওঠে। সেই মুজিব বাহিনীর উত্তরাধিকারীরা আজ এই ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত একই রকম বাংলাদেশকে একটি অরাজক মহাদুর্নীতি ধর্ষণ হত্যা গুম খুন অপহরণ এর স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে।

 

এই ১৪ বছরে এমন কোন হেন অপকর্ম নাই যা তারা করে নাই ! সেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’ এবং সেই মুজিব বাহিনীর উত্তরাধিকারীরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category