বাংলাদেশে এখন যা হবে এবং ভবিষ্যতে যা হবে

WSN24 STAFF
  • Update Time : Sunday, October 23, 2022
  • 736 Time View

বাংলাদেশের সকল বিপ্লবীদের অঙ্গীকার অনুযায়ী এবং খান মুহম্মদ জুসফিকুর রহমানের সিদ্ধান্ত এবং সাহায্য-সহযোগিতা মোতাবেক খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিসহ সকল বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে দেশ বিদেশের সকল দেশ প্রেমিক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অক্লান্ত চেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একান্ত প্রচেষ্টায় ভারতের হাত থেকে এবং তাদের এদেশীয় রাজনৈতিক অপশক্তি আওয়ামী লীগের করাল গ্রাস থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ছিনিয়ে আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক’ দামাল ছেলেরা।

বাংলাদেশের মানুষদেরকে বলা হতো ভারত এবং আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। এটা যে একটা ডাহা মিথ্যা কথা বাংলাদেশের মানুষদেরকে মুড়িব মতন খাওয়ানো হয়েছে তা এদেশের তরুণ তরুণীরা এবং সর্বস্তরের মানুষ এক রকম ঘুমের ঘরে অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের সত্যি কথাটি হচ্ছে এই যে জিয়াউর রহমানের চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে  স্বাধীনতা ঘোষণার পরে যে কয়টি ফোর্স তৈরি করা হয়েছিল তাদের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয় যারা পাকিস্তানের মিলিটারি  থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশের সেনা অফিসার হিসেবে নিযুক্ত ছিল সেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করে এবং সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে তৎকালীন যাদেরকে আজ বলা হয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে তাদের সাথে কোন সম্পর্ক ছিল না। যেমন মুজিব বাহিনী মুজিব বাহিনী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অর্জন করার জন্য কোথাও যুদ্ধ করেনি। যাদেরকে মুক্তিবাহিনী বলা হয় তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কৃষক-শ্রমিক-জনতা ছাত্র সকলেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

 

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ভারত থেকে যারা মুক্তিবাহিনী হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের সংখ্যা এবং তাদের যুদ্ধ সত্যি রহস্যজনক। এমনকি আওয়ামী লীগের লোকজনও যুদ্ধচলাকালীন সকলে ইন্ডিয়াতে পালিয়ে যাওয়ার পরে তারা আর বাংলাদেশে ফিরে আসেনি।  তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বসে কি কি করেছে তাদের সকল অপকর্মের ফিরিস্তি রয়েছে। তাহলে যুদ্ধ করেছে কারা কে কে?

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যুদ্ধ করেছে এবং তাদের সাথেই এদেশের ছাত্র শিক্ষক কৃষক শ্রমিক জনতা যোগ দিয়েছে। ১৯৬৯ ১৯৭০ ১৯৭১ এবং একাত্তরের মার্চ পর্যন্ত যে আওয়ামী লীগের লোকজন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলেছিল অধিকারের জন্য। সেই আওয়ামী লীগের দুই ভাগের এক ভাগ যুদ্ধ চায়নি যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দলের নেতা শেখ মুজিব।

সংখ্যাগরিষ্ঠ শেখ মুজিবের সাথে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তার অনুসারীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চায়নি কারণ এই অসম যুদ্ধে নিরস্ত্র সাধারণ কিছু জনসাধারণের অত্যাধুনিক অস্ত্রের সামনে কখনো  যুদ্ধ সম্ভব না কারণ ভারত সরকার যতই সাহায্য করুক এবং ভারতের সেনাবাহিনী বাংলাদেশের পূর্ব পাকিস্তানে প্রবেশ করে পাকিস্তানের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কঠিন এই সকল চিন্তা ভাবনা করে শেখ মুজিব এবং তার লোকেরা  বাংলাদেশের যুদ্ধ ছাড়া তারা চেয়েছিল স্বায়ত্তশাসন। কিন্তু শেখ মুজিবের প্রধান বাসনা ছিল সে উভয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবে। শেখ মুজিবের সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থা র এর প্রধানের সাথে সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তা সত্বেও তিনি স্বায়ত্তশাসন চেয়েছিলেন এবং তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বায়ত্তশাসন না । উভয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া।

কিন্তু সিরাজুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ সহ হাতে গোনা কিছু লোক যারা ভারতের মহা আজ্ঞাবহ তারাই ভারতের গোপন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করে দেয় এবং পাকিস্তান যাতে যুদ্ধ করে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যাতে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি হয় তার পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। কিন্তু আশ্চর্যজনক ব্যাপার এই যে ঠিকই যুদ্ধ বাধাতে সফল হয় এবং যুদ্ধের পরে যুদ্ধ সৃষ্টিকারী এই গ্রুপটি ভারতে পালিয়ে যায়। এবং ভারতে গিয়ে তারা ভারত সরকারকে বলে যে আপনাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা বিশৃংখলা যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়েছি এখন আপনাদের যা করণীয় তা করেন । এই যুদ্ধ সৃষ্টিকারী ভারত এবং তাদের দালালরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কি আর করবে?  পাকিস্তানে ভারতের সেনাবাহিনী ঢুকে যুদ্ধ করা এটা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী । পাকিস্তানে অরাজগতা বিশৃংখলা সৃষ্টি করাই ছিল মূলত ভারত সরকারের পরিকল্পনা যা দিয়ে তারা পাকিস্তানকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে এবং ভঙ্গুর করে দিতে পারে। আর পাকিস্তানের সাথে ভারতের সেই যুদ্ধে বাঙালিরা যে পাকিস্তানের জয় এনে দেয় সেই বাঙালিদেরকে এবং পাকিস্তানের  উপর প্রতিশোধ নেওয়াটাই ভারতের প্রধান লক্ষ্য ছিল।

 

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ভারতের মূল উদ্দেশ্য নয় এবং ভারতের বাংলাদেশী দালাল তাদেরকে দিয়ে পাকিস্তানকে পরাজিত করা যুদ্ধ করা সমীচিন নয় সম্ভব না এবং উদ্দেশ্য না। ভারতের বাংলাদেশী কিছু দালাল দিয়ে এবং কিছু আপদার্থ লোকদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই মারণাস্ত্র আধুনিক পাকিস্তান বাহিনীর সাথে যুদ্ধে পারা কখনো সম্ভব না। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো যারা ভারতের পক্ষে যুদ্ধ বাধিয়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তারা ভারতের সরকার থেকে নানা ধরনের আনন্দ ফুর্তির উপায়-উপকরণ পেয়েছে এবং সেই ঘুমের ঘোরে তাদেরকে রেখে দিয়েছে র। এই যুদ্ধ সৃষ্টিকারীরা বাংলাদেশের যুদ্ধ করেনি এবং তারা আনন্দ-ফুর্তিতে মৌজে ছিল ভারতে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’ মুজিব বাহিনী সৃষ্টি করে তাদেরকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যে তারা ভারতের কর্তৃত্ব বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করবে এবং ভারতের প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করবে।

 

তাহলে এখন প্রশ্ন বাংলাদেশের যুদ্ধ করলোটা কারা এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল কে এবং কারা ? হ্যা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ মূলত শুরু হয়।  তার ডাকে সারা দিয়ে বাংগালী সকল সেনা সদস্য এক হয়ে যুদ্ধের কাঠামো তৈরি করে এবং যুদ্ধ শুরু করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সাধারণ জনগনকে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেয়া এবং যুদ্ধে নিয়জিত করা হয়।

 

এভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। মুজিব বাহিনী এবং আওয়ামীলীগের লোকজন বাংলাদেশের যুদ্ধটা করছে কোথায়? তারা মুজিব সরকার বানালেন তারা কি করেছে সেই সময়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য?  যখন ভারত সরকার দেখল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়যুক্ত হচ্ছে এবং ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তখন তারা বলল যে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে তাহলে বাংলাদেশকে স্বাধীনতার পক্ষে যা যা করণীয় তখন তারা সেইদিকে বাধ্য হয়ে সাহায্য করতে শুরু করলো কারন বাংলাদেশ যদি স্বাধীন হয়ে যায় ভারত যদি সাহায্য না করে তাহলে তাদের দালালদের অস্তিত্ব থাকবে না এমনকি ভারত সরকার বিপদে পড়ে যাবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো বাংলাদেশ-ভারতের যে পরিকল্পনা তার কিছুই সফলতা অর্জন করতে পারবে না এবং বাংলাদেশে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবেনা। যখন তারা দেখল বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে তখন তারা বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে তারা কিভাবে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে তাই সেই বাহিনীর প্রতিষ্ঠা করে।এবং সেই বাহিনী  দিয়ে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশকে অরাজক সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য গড়ে তোলে, স্বাধীন বাংলাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে এবং বাংলাদেশের সকল সম্পদ ভারত সরকার নিয়ে যায়। পাকিস্তানের সকল আধুনিক অস্ত্র গুলো নিয়ে যায় বাংলাদেশের সকল টাকাগুলো তারা নিয়ে যায় এক রকম তারা বাংলাদেশের চোর ছেচোররে  মতন সব কিছু চুরি করে।

 

যার বিরুদ্ধে মেজর জলিল রুখে দাঁড়িয়েছিল ফলে ভারত সরকার এবং তার দালাল বাহিনী দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে জেল দেয় এবং তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল । বাংলাদেশকে স্বাধীন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কিন্তু সেই স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয় ভারত সরকার এবং তাদের দালালরা। ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধে বাঙালি সেনা অফিসাররা যে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিল সেই থেকেই তারা ছিল ভারত সরকারের প্রধান টার্গেট সেই টার্গেট মোতাবেক পিলখানায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর গণহত্যা চালায় ভারতের সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় অপশক্তির দালালরা ।

ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধ বাধানোর ভারতের মূল পরিকল্পনাই হচ্ছে বাংলাদেশকে দখল করা। ভারতের দখলের বিরুদ্ধে যারাই রুখে দাঁড়িয়েছে তাদেরকেই ভারত সরকার হত্যা করেছে এবং তাদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে।

সেই মোতাবেক জিয়াউর রহমানকেও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র পরিকল্পিতভাবে তাদের দালাল দ্বারা হত্যা করে। র এই হত্যাকাণ্ডকে কয়টি স্তরে নাটক সাজায় হত্যাকারিকে তার সাক্ষী না রাখার জন্য তাকে হত্যা করার জন্য অন্য সেনা অফিসার নিযুক্ত করেন। এর সুবিধা গ্রহণ করে প্রেসিডেন্ট এরশাদ তিনি র এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।শেখ মুজিব ভারতের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হওয়ার  কারণে তিনিও ভারতের থেকে আক্রান্ত হয়েছিলেন  যেমনটি আজ শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ভারতের কাছে বিক্রি করার পরেও শেখ হাসিনা ভারত ধারা অতিষ্ঠ  হওয়ার কারণে এখন ভারত কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে।

শেখ মুজিবের হত্যায় ভারতের যে হাত রয়েছে তা যে শেখ মুজিবের পাকিস্তানের যাওয়া ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেওয়া এবং ভারতের বিরুদ্ধে কয়েকটি পদক্ষেপের কারণে ভারত সরকার শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে খেপে ছিলেন, ভারত সরকার ভেবেছিল শেখ মুজিবকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছি এ তো দেখি আমাদের মাথার উপরে উঠে দাঁড়িয়ে আছে একে মেরে ফেলাই উত্তম। এভাবে ভারত সরকার বাংলাদেশে একের পর এক হত্যার খেলায় মেতে ওঠে ।

শেখ মুজিবের ১৯৭১ থেকে হাজার ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত নামে ছিল শেখ মুজিব কিন্তু কামে ছিল তখন  সত্যিকার অর্থে ভারত সরকারের হাতে। ভারত সরকার মুজিব বাহিনী দিয়ে বাংলাদেশের সন্ত্রাসের সাম্রাজ্যে স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে । বাংলাদেশের প্রথম গুম খুন অপহরণ ও হত্যা ধর্ষণ রাহাজানি লুণ্ঠন ডাকাতি তখনই সৃষ্টি হয়। শেখ মুজিবের শাসনামল এমন কন অপরাধ নাই অপকর্ম নয় যার সৃষ্টি হয়নি এবং তার বাহিনী করেনি এর মূল হলো ভারত সরকার।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ প্রথম যুদ্ধই করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং তাদের উভয়ের ধারা আক্রান্ত  হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ১৯৬৫ সাল থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভারতের শত্রুতে পরিণত হয়। ১৯৭১ ১৬ ই ডিসেম্বর সালে বাংলাদেশকে যে স্বাধীন হওয়ার কথা বলা যা সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা কথা। আসল কথা হচ্ছে বাংলাদেশের সৃষ্টি হয় এবং পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হলেও তারা ভারতের পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয় এরপর থেকে বাংলাদেশে হয়ে যায় ভারতের পরাধীন রাষ্ট্রের করাদ রাজ্যে পরিণত হয়। আর শেখ মুজিবকে পুতুল সরকার বানিয়ে ভারত সরকার বাংলাদেশকে পরিচালনা করতে থাকে। শেখ মুজিবের হত্যার মধ্য দিয়ে এই বাংলাদেশ প্রথম স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে থাকে। শেখ মুজিব মারা যাওয়ার পর বাংলাদেশ ভারতের নিয়ন্ত্রণ থেকে পরিপূর্ন মুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ পায় এবং পাকিস্তান থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পরিচিতি পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ভারত সরকার বাংলাদেশের সেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার এই শেখ হাসিনার ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে হরণ করে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিবের পুতুল সরকার ভারত কর্তৃক ভারত যে সমস্ত যেসব অপরাধ অপকর্ম  করে সন্ত্রাসের সাম্রাজ্যে এবং স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল সেই একই কায়দায় ঐরকম সেই সমস্ত অপকর্ম অপরাধ করতে থাকে এই ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। ফলে আজ বাংলাদেশের ২২ কোটি জনগণ সেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার ভারতের হাত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। ভারত সরকার বাংলাদেশের ২২ কোটি জনগণের তাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব দখল করার জন্য বাংলাদেশকে পায়ের নিচে পিষ্ট করে চুষে খাওয়ার জন্য শাসন করার জন্য বর্তমানে এমন কোন হীন অপকর্ম নাই যে তাদের গোয়েন্দা সংস্থা র এবং তাদের এদেশীয় রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগকে দিয়ে করাচ্ছে না। ভারত এবং তাদের শক্তি আওয়ামীলীগ যে পরিমাণ যেটুকু পর্যন্ত এদেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে সেই পরিমাণ তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি ভারত এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এদেশের সকল দেশ প্রেমিক মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছে এবং ভারত ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিপ্লব শুরু করেছে গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছে । সমগ্র পৃথিবী ভারত এবং আওয়ামী লীগকে তাদের গণহত্যা এবং সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানাচ্ছে। কিন্তু বিপ্লবীরা জানে যে এই যুদ্ধে মহা লড়াই করতে হবে।  সে রকম প্রস্তুতি তারা নিয়েছে। তাদের কথা হচ্ছে ভারতের হাত থেকে যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার ফিরিয়ে আনতে হবেই হবে।

সমগ্র পৃথিবী এবং বাংলাদেশের সকল জনগণ ভারত এবং আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।  ফলে ভারত এবং তাদের এদেশীয় দালালরা রাজাকাররা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ সমগ্র পৃথিবীর বিরুদ্ধে কিছু সন্ত্রাসী এবং তাদের নিয়োজিত কিছু সন্ত্রাসী-পুলিশ দিয়ে এই যুদ্ধে তারা জয়লাভ করতে কোন প্রকার ই পারবে না।  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থানে আছে তারা এর অর্থ জানিয়ে দিয়েছে যে তারা অবশ্যই জনগণের পক্ষে থাকবে। জনগণের প্রয়োজনেই এবং জনগণের ডাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হাজির হয়ে যাবে যথা সময়ে সেরকম প্রস্তুতি তারা নিয়ে রেখেছে ইতিমধ্যই কারণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পিলখানা সহ স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে সমস্ত জায়গায় ভারত এবং আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে। ভারত এবং আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবের সরকার বাংলাদেশের বীর ৪০,০০০ সেনানীকে সেনাবাহিনীকে মুক্তিযোদ্ধাকে স্বাধীনতার পরে হত্যা করেছে। তারা মেজর জলিল কে হত্যা করতে চেয়েছিল তারা জেনারেল ওসমানী কে হত্যা করতে চেয়েছিল। ভারত এবং আওয়ামী লীগের প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে হত্যা করেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে দখল করা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে এবার ২২ কোটি জনগণ আছে সমগ্র পৃথিবী আছে এবং তাদের সাথে আল্লাহ্‌ পাক আছে। এই চার শক্তি এক হয়ে যাওয়াতে আজ যুদ্ধে পরাজয় বরণ করেছে ভারত এবং আওয়ামী লীগ  ইতিমধ্যে। ভারত এবং আওয়ামী লীগ চট্টগ্রামের যুদ্ধে হেরে গেছে ময়মনসিংহের যুদ্ধে হেরে গেছে খুলনার যুদ্ধে হেরে গেছে আগামীতে বরিশালের যুদ্ধ আছে সিলেটের যুক্ত আছে এবং ঢাকার যুদ্ধ আছে সে যুদ্ধগুলোতে  তারা নিশ্চিত হেরে যাবে।

আমাদের কাছে ৪ বছর আগে তথ্য আছে যে আওয়ামী লীগ এবং ভারত-বাংলাদেশ থেকে পালাবে । ইতিমধ্যে ভারত এবং আওয়ামী লীগ আফগানিস্তানের মতন বাংলাদেশ থেকে পালানোর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পালিয়ে কোথায় যাবে তারও মোটামুটি ঠিক ঠিকানা তৈরি করেছে । ভারতে এখন গোপনে কাজ করছে এবং চুপচাপ কোন কথা বলছে না। কিন্তু আওয়ামী লীগকে দিয়ে তারা বিভিন্ন জাদুকর কথাবার্তা বলা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যদিও ভারতের কিন্তু ভারত সম্মুখে এসে সাহায্য করতে না পারার কারণেই আওয়ামী লীগের সাথে যে প্রকাশ্য কেউ নেই সেটা একেবারেই সূর্যের মতো সত্য ঘটনা।

এখন যা হবে 

প্রায় এক কোটি যুবক শ্রীলংকার মত গণভবন রাষ্ট্রপতি ভবন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দখলে নেবে। ভারত এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী বাহিনী গুলি করার সাহস পাবে না লক্ষ লক্ষ যুবকের গায়ে কারণ আগুনে গুলি করা মাত্র সব গুলাকে গিলে খেয়ে ফেলবে। এরকম পরিস্থিতি হওয়ার সাথে সাথে অথবা এর আগে ভারত এবং আওয়ামীলীগ আফগানিস্তানের মত বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাবে এবং জুসফিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি জাতীয় সরকার গঠন হবে।

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের যা হবে 

জাতীয় সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্যই হচ্ছে হবে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব দখলকারীদের নিশ্চিহ্ন  করে দেওয়া যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব কেউ দখল করতে না পারে, বাংলাদেশের সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সকল ন্যায় বিচার শুরু করে দেওয়া, বিপ্লবীদেরকে রাষ্ট্রপরিচালনার অংশীদার বানানো, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন খুবই প্রয়োজন হবে। একটি সহজ এবং ন্যায় পরায়ন রাষ্ট্রব্যবস্থার সৃষ্টি করতে হবে। সকল মৌলিক অধিকারগুলো ফ্রি এবং সহজলভ্য ও সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের সকল শত্রুদের সন্ত্রাসীদের সকল ধরনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে, সন্ত্রাসী দের জন্য আলাদা আইন প্রণয়ন করা হবে, সন্ত্রাসীরা ভবিষ্যতে যাতে জেগে উঠতে না পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শক্তিশালী সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভবিষ্যতের জাতি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে তার ব্যবস্থা রাখা হবে ।

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category