ঢাকা বাংলাদেশ : বাংলাদেশের ১০ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের স্মরণকালের ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক দিন । যে দিনটির দিকে সমগ্র বাংলাদেশ এবং সমগ্র পৃথিবী তাকিয়ে ছিল । এজন্যই সমগ্র পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় গন মাধ্যম গুলোর হাউজ তাদের বিভিন্ন ভাষায় লিড নিউজ করেছে। আসলে দিনটির গুরুত্ব সম্পর্কে আদোও পূর্ণাঙ্গ ধারণা কারোরই নেই । বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম টারনিিং পয়েন্ট বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন রাজনীতি, বাংলাদেশের ভু রাজনীতি এবং বাংলাদেশের নেতৃত্ব । কাজেই বিশ্বের সকল দেশগুলোর একমাত্র চাওয়া এবং পাওয়া হচ্চ্ছে বাংলাদেশ যেন সকলের জন্য একটি সর্বশ্রেষ্ঠ নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয যেখাানে বিশ্বের প্রতিটি নাগরিক নিরাপদে থাকবে। বিশ্বের প্রতিটি দেশের এবং তার নাগরিকদের বাড়ি এবং নিরাপদ আবাসস্থল হচ্ছে বাংলাদেশ। যে দেশকে সবাই আপন ভাবে এবং আপন ভাবতে শুরু করেছে সেই দেশটির সব কিছু সঠিকভাবে চলছে কিনা তা ভাবার দেখার মাথা ব্যথার বহু কারণ রয়েছে ।
বর্তমান বিশ্বের প্রধান নেতৃত্বে আছে বাংলাদেশ কাজেই বাংলাদেশের রাজনীতি, বাংলাদেশের ভু রাজনীতি বাংলাদেশের নেতৃত্ব বিশ্বের সকল দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশ এখন শুধু বাংলাদেশের প্রচলিত জনগণের জন্যই শুধু নয় এই দেশটি এখন পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশের স্বপ্নের দেশ ফলে বাংলাদেশের রাজনীতি অর্থনীতি ব্যবসা-বাণিজ্য সকল নাগরিকের সকল অধিকার মানবাধিকার মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা সহ সকল বিষয় বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের জন্য মহা চিন্তার বিষয়।
এই বিষয়গুলোকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পরিচালনাকারীদের কে ভালো করে এবং সঠিকভাবে বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। তাই বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি পরিচালনাকারী কারা হবে? কি ধরনের হবে? তাই বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ ও জনগণের প্রচন্ড চিন্তা ও ভাববার বিষয়। যে রকমটি বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সচেতন ভালো নাগরিকরা ভেবে থাকে। বাংলাদেশ বিশ্বের একটি সম্পদ এখানে কোন মাফিয়া সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ব চললে তা বাংলাদেশের কোন নাগরিক এবং বিশ্বের কোন নাগরিক মেনে নেবে না। বর্তমান বাংলাদেশের মূল সমস্যাই হচ্ছে এটা। বাংলাদেশের নাগরিক তথা বিশ্বের সকল নাগরিকরা বাংলাদেশের মাফিয়া সরকারকে মেনে নিতে পারছে না।
একটি অবৈধ অনির্বাচিত বাংলাদেশের মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সকল নাগরিক এবং বিশ্বের সকল নাগরিক ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশের সকল জনগণ এবং বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ঢাকাতে ঝাঁপিয়ে পড়ার এই দিনটি ছিল ১০ ডিসেম্বর ২০২২।

কি হয়েছিল ১০ ডিসেম্বর :
১০ ডিসেম্বর ২০২২ যেখানে পৃথিবীর তথা বাংলাদেশের সকল জনগণ উপস্থিত হবে তার এক ধরনের প্রধান নেতৃত্বে ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই যে, যখন সমগ্র বাংলাদেশের কোটি কোটি জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল বাধা অতিক্রম করে পৃথিবীর সকল দেশের সমর্থনে উপস্থিতির মাধ্যমে সত্যর জানান দিচ্ছিল এবং সর্বশেষ ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় উপস্থিতির তারিখ যতই কাছে আসছিল ঠিক সেই সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মির্জা আব্বাস গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেন, ১০ ডিসেম্বর সাধারণ একটি দিন সরকার পরিবর্তনে এই দিনটি কোন কাজে আসবে না বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেন, আমরা ১০ ডিসেম্বরের পরে অন্য খেলা শুরু করবো!কিন্তু কি সেই খেলা তা তিনি উল্লেখ করেন নি ।
এই খেলার ব্যাপারে সম্পূর্ণ দায় দায়িত্ব বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উপরে কারন মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস ১০ ডিসেম্বরকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছিলেন যা কেউ মেনে নেয়নি এবং সকলেই তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছিলেন ফলে তারা দায়িত্ব দেয় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের হাতে তিনি তাদের পক্ষে স্পষ্ট করে ১০ ডিসেম্বর সম্পর্কে গুরুত্বহীন করেন এবং অন্য খেলার কথা উল্লেখ করেন। আসলে এরা আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে আতাত করে ফেলেছিলেন। যদিও বাংলাদেশের সকল জনগণ এবং পৃথিবীবাসী এবং পৃথিবীর কোন দেশ তা মেনে নেয়নি।
যারা ১০ ডিসেম্বর কে গুরুত্বহীন করে ফেলেছিলেন এবং বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে ধোঁকা দিয়েছিলেন যারা সরকারের সাথে আতাত করেছিলেন তারাই গ্রেপ্তার হলেন! এটা কি জনগণের গণরোশ থেকে বাঁচার জন্যই এই পথ বেছে নিলেন? এটাই কি বাংলাদেশের রাজনৈতিক খেলা ? এভাবেই কি চলে বাংলাদেশের রাজনীতি ? এদেরকে কবে নাগাদ উচ্ছেদ করা যাবে!?
যারা সরকারের সাথে আতাত করলেন এবং সরকারের শেখানো বুলি আওরালেন যারা সরকারকে আগেই সুযোগ দিয়ে দিলেন যারা সরকারের দালালী করলেন তারা কেন গ্রেফতার হবে ? আবার গয়েশ্বর কেন গ্রেফতার হলেন না? যা খুবই রহস্যময়! তাহলে এসব কি বাবু গয়েশ্বর রায়েরই খেলা!?
১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্মরণকালের ইতিহাস
ভারতবর্ষের আগে বা ভারতবর্ষের পরে আজ পর্যন্ত এমন গণঅভ্যুত্থান কখনো হয়নি । যা ১০ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে বাংলাদেশে সংগঠিত হয়েছে এবং বর্তমানে চলমান আছে। কিন্তু বিএনপির আতাতকারী নেতৃত্বের কারণে স্মরণকালের এই গণঅভ্যুত্থান কিছুটা হলেও হোঁচট খেয়েছে। এতে করে বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানকারীরা শিখে নিয়েছে যে তাদের সঠিক এবং উপযুক্ত নেতৃত্ব বিএনপি’র নেতারা নয়, বিপ্লব এবং গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব নেতা যে অন্য কেউ এবং তারা আগামীতে সেই নেতৃত্ব খুুঁজে নেবে সেটাও নির্ধারিত হয়ে গেছে।
আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা
আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা হচ্ছে বিপদের একেবারে শেষ কিনারা। অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালতে এবং আন্তর্জাতিক আদালতে যে কোন সময় বিচারকাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ পুলিশ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাচার স্বার্থে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো সময় আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে কারণ তারা যখন বুঝতে পারবে যে সমগ্র পৃথিবীর বিরুদ্ধতা করে শুধু আওয়ামীলীগের পক্ষে গিয়ে টিকে থাকা যাবে না এমনকি এ সকল কাজকর্ম বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিপন্থী হচ্ছে এবং ভারতের স্বার্থে হচ্ছে আর এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ বিচারকাজ শুরু হবে । বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক শক্তিকে এবং বাংলাদেশের শক্তিকে এগিয়ে আসা দেখে ভয় পেয়ে আওয়ামীলীগের পাশে থেকে এখন কেটে পরবে । আন্তর্জাতিক শক্তি ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশ এই সংগঠনটি এক মুহূর্ত টিকে থাকতে পারবে না ফলে আন্তর্জাতিক সকল শক্তির কাছে বাংলাদেশ পুলিশ সমরপন করতে বাধ্য হবে কারন তারা বাংলাদেশের জনগনের সাথে শপথ ভংগ করে আওয়ামীলীগের সাথে শপথ করেছে আর বাংলাদেশের পুলিশ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পুলিশ হয়েছে।
আওয়ামী লীগের পতন হচ্ছে এবং নতুন সরকার গঠন হচ্ছে
আওয়ামী লীগের বিচার করার জন্য সমগ্র বিশ্বশক্তি এক হয়েছে সাথে সাথে বাংলাদেশ পুলিশেরও বিচারকাজ শুরু হচ্ছে। ফলে আওয়ামীলীগ এবং পুলিশ ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে বাচার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদিকে নতুন সরকার গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন সরকার জনগনের পক্ষে সকল বিচারকাজ শুরু করবে আসলে আওয়ামীলীগের শেষ রক্ষা হবে না।